face
   

সর্বশেষ ভাষণ/ শেষ কথা

সর্বশেষ ভাষণ/ শেষ কথা

সর্বশেষ ভাষণ/ শেষ কথা

তিন বন্ধু আগের নির্ধারিত সময়মত তাদের থাকার হোটেলের সামনে মিলিত হলো, রাশেদ তাদেরকে সেই লাইব্রেরির দিকে নিয়ে চলল, যেখানে (একশত মহামানব...সবার মহান মুহাম্মদ সাঃ ) বইটি আছে। সংবাদপত্রের কর্নারে এসে শিরোনাম দেখে মাইকেল থেমে গেল, সে হঠাৎ রাশেদকে ডাকলঃ

রাশেদঃ এ উত্তেজনাপূর্ণ শিরোনামটি দেখ ... এটা আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু, “ইসরাইলের একটি লাইব্রেরিতে কোরআনের পুরাতন পাণ্ডুলিপি পাওয়া গেছে”।

রাশেদঃ তুমি কি জানতে চাচ্ছ কিভাবে এ পাণ্ডুলিপি ইসরাইলের লাইব্রেরিতে পৌঁছেছে?.. আমি গতকাল এ খবর একটি ওয়েবসাইটে পড়েছি, কিছু কিছু ব্যাখ্যায় এ কথা প্রমাণিত হয় যে, ইরাকে জোট বাহিনীর আক্রমণের পরে এটা চুরি করে ইসরাইলে নিয়ে গেছে।

মাইকেলঃ না, না, আমি তা উদ্দেশ্য করিনি, আমার কথার উদ্দেশ্য হলো, এর সাথে তোমাদের কোরআনের মৌলিকতা ও সত্যতার সম্পর্ক আছে। সংবাদে বলা হয়েছে, পাণ্ডুলিপিটি ১২০০ বছর পূর্বে লেখা হয়েছে, অর্থাৎ কোরআন প্রথমবার লেখার ২০০ বছর পর মাত্র এ পাণ্ডুলিপিটি লেখা, এটা নিঃসন্দেহে আশ্চর্যজনক খবর।

রাশেদঃ প্রথমতঃ এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত পাণ্ডুলিপির মধ্যে এটা কোরআনের সর্বাধিক পুরাতন পাণ্ডুলিপি নয়, কেননা, রাশিয়া দাবী করেছে তাদের কাছে কোরআনের সবচেয়ে পুরাতন পাণ্ডুলিপি রয়েছে। রাশিয়ার গবেষক ইভিম রিদওয়ান বলেছেনঃ নেদারল্যান্ডে তেজস্ক্রিয় কার্বন বিশ্লেষণে প্রমাণিত হয়েছে যে, তাদের কাছে কোরআনের যে পাণ্ডুলিপি আছে তা খৃষ্টীয় অষ্টম ও নবম শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ের।

অন্যদিকে মিশরিরা দাবী করেন যে, কায়রোর হোছাইন মসজিদে কোরআনের সবচেয়ে পুরাতন পাণ্ডুলিপি রয়েছে, যার বয়স প্রায় ১৪০০ বছর, ইহা সেই ছয়কপি কোরআনের এক কপি যা ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান রাঃ এর নির্দেশে কোরআন হেফাযতের জন্য লেখা হয়েছিল।

ইয়ামেন দাবী করেছে, ১৯৭২ সালে সান’আতে বড়জামে মসজিদের খনন কাজের সময় তারা কোরআনের সবচেয়ে পুরাতন পাণ্ডুলিপি পেয়েছে যা ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর রাঃ এর খেলাফতের সময় লিখিত হয়েছিল।

এদের সবার দাবীই সঠিক হতে পারে, কেননা কোরআনের অনেকগুলো কপি করা হয়েছিল ও সেগুলো বিভিন্ন দেশে ও শহরে পাঠানো হয়েছিল।

দ্বিতীয়তঃ বর্তমানে মুসলমানের কাছে যে কোরআন আছে হুবহু সে কোরআনই রাসুলের সাঃ সময় ছিল, একথা সব ধর্ম বিজ্ঞানীদের নিকট স্বীকৃত, এমনকি প্রাচ্য-বিশেষজ্ঞগণও স্বীকার করেন। কিন্তু তারা একথা স্বীকার করেন না যে, ইহা আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত, পক্ষান্তরে অন্যান্য ধর্মের কিতাবের সত্যতা ও ভিত্তি শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রমাণিত নয়।

ফ্রান্সের প্রাচ্যবিশেষজ্ঞ সমাজ বিজ্ঞানী আর্নষ্ট রিনান (Ernest Renan) বলেনঃ “কোরআন শরিফ কোন পরিবর্তন ও বিকৃতির মুখোমুখি হয়নি”।

আমেরিকান ডক্টর মাইকেল হার্ট, -যার বই আমরা কিনতে এসেছি- বলেছেনঃ “রিসালাতের ইতিহাসে মুহাম্মদের উপর নাযিলকৃত কোরআন ছাড়া অন্য কোন আসমানী কিতাব সম্পূর্ণ অক্ষত নাই”।

জার্মান কবি গ্যাঁটে এ পরিসীমা পার হয়ে আরো বাড়িয়ে বলেছেন যে, আল কোরআন সব কিতাবের কিতাব, মুসলমানেরা যেভাবে বিশ্বাস করে আমিও সেভাবে এটাকে বিশ্বাস করি”। বরং তিনি সত্তর বছর বয়সে প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন যে, যে রাত্রিতে মুহাম্মদের উপর কোরআন নাযিল হয়েছে সে রাত্রি তিনি উদযাপন করবেন।

রাজিবঃ এটা আমাদের আজকের বিষয়... কোরআন যে আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত ওহী এর প্রমাণ কি? আর ইসলাম যে আসমানী ধর্ম এরই বা প্রমাণ কি?

রাশেদঃ ইহা শুধু আসমান থেকে প্রেরিত ধর্ম নয়, বরং বর্তমানে ইহাই একমাত্র সঠিক ধর্ম।

মাইকেলঃ আমরা একটু একপাশে গিয়ে বসি, যাতে আমাদের আওয়াজে লাইব্রেরির লোকেরা বিরক্ত না হয়।

রাজিবঃ (রাশেদকে উদ্দেশ্য করে, তারা আলোচনার জন্য একপাশে যেতে যেতে ) তাহলে তুমি বল, তোমার কি প্রমাণ আছে?

রাশেদঃ আমি এ সময়ে যতটূকু পারি তোমাদের সামনে এ ব্যাপারে প্রমাণ দিব যে, প্রকৃতপক্ষে কোরআন আল্লাহর বাণী, ইহা মুহাম্মদের কথা বা বাণী নয়। আর আমি তোমাদেরকে কোরআনের কিছু বৈজ্ঞানিক বিষ্ময়কর দিক বলব, যাতে মানুষের সসীম জ্ঞানের সামনে মহান আল্লাহর অসীম ও পূর্ণ জ্ঞানের কথা প্রমাণিত হয়।

মাইকেলঃ আমাদের যা উপকারে আসবে ও আমরা যেসব বিষয়ে একমত হয়েছি তা নিয়ে কথা বল। আর বিজ্ঞান ও আকল বা বিবেকের আলোকে এ নিয়ে কথা বলো।

রাশেদঃ গীর্যার অনুসারীরা তাদের কিতাবকে পবিত্র গ্রন্থ বলে। অথচ পবিত্র হওয়াটা ভূল ও বৈপরীত্বময় হওয়ার পরিপন্থী। যেহেতু তা সকল ত্রুটি হতে মুক্ত, পূর্নাঙ্গ গুনাবলীর অধিকারী সত্য ইলাহের গুনাবলীর বিপরীত। আমি বিজ্ঞানের সাথে গীর্যার অবস্থান এবং বিজ্ঞানের সাথে তাদের পবিত্র গ্রন্থের সাংঘর্ষিকতার কারণে তাদের সাথে বিজ্ঞানীদের যে যুদ্ধ হয়েছে তা বলবনা। কিন্তু আমি কোরআনের দিকে তাকাবো, এ ব্যাপারে কোরআনের অবস্থান কি তা বর্ণনা করবঃ

বর্তমান যুগের একজন মুসলিম বিজ্ঞানী আব্দুল মজিদ যিন্দানি আমেরিকার নর্থ স্টোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ধাত্রী ও স্ত্রীরোগ বিভাগের প্রফেসর জুলি স্যামসনের সাথে কোরআনে বর্ণিত শুক্রাণু থেকে ভ্রূণ সৃষ্টির তিনটি ধাপের কথা আলোচনা করেছিলেন, কোরআন কিভাবে বলেছে যে, দুটি শুক্রাণু একত্রিত হলে মানুষ সৃষ্টি হয়, এরপর মানুষটির জন্মের বিস্তারিত রূপ, চোখের রঙ, চামড়ার রঙ, চুলের রঙ ইত্যাদি ঠিক হয়। আধুনিক বিজ্ঞান এ ব্যাপারে প্রমাণ করেছে যে, মানুষের সকল বিস্তারিত উত্তরাধিকারী গুণাবলী শুক্রাণুর ধাপেই নির্ধারণ করা হয়। এটা আল্লাহ পাকের কথার অনুরূপ, তিনি বলেছেনঃ “মানুষ ধ্বংস হোক, সে কত অকৃতজ্ঞ! তিনি তাকে কি বস্তু থেকে সৃষ্টি করেছেন? শুক্র থেকে তাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে সুপরিমিত করেছেন”। (সুরা আবাসাঃ ১৭-১৯)

এ ব্যাখ্যা শুনার পর সে প্রফেসর একটি সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন যে, “ আমরা গবেষণা করে যেখানে পৌঁছেছিসে ব্যাপারে শতবছর পূর্বেই কোরআন এসে বলে গেছে, এটা প্রমাণ করে যে, কোরআন আল্লাহর বাণী...” ।

আমি ল্যাপটপ খুলে তোমাদেরকে আর কিছু সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম প্রমাণ দেখাচ্ছি... প্রফেসর কিথ মুর (The Developing Human) “মানব সৃষ্টির ধাপসমুহ” বইয়ের লেখক, বইটি একটি বিশ্ববিখ্যাত রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত, যা আটটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তিনি একটি সম্মেলনে বলতেছিলেনঃ কোরআনে বর্ণিত মানবের জিনের (Embryos) গুণাবলী সপ্তম শতাব্দীর বিজ্ঞানের গবেষণার উপর ভিত্তি করা অসম্ভব।

এসব হতে একমাত্র যে বিবেকসম্মত ফলাফল বেরিয়ে আসে তা হলোঃ এসব গুণাবলীর কথা আল্লাহর পক্ষ থেকে মুহাম্মদ সাঃ কে ওহীর মাধ্যমে জানানো হয়েছে। যেহেতু তাঁর পক্ষে এর বিস্তারিত জানা সম্ভব নয়। কেননা তিনি উম্মী বা নিরক্ষর ছিলেন, এজন্যই তিনি বিজ্ঞানের শিক্ষা পাননি। ডক্টর কিথ মুর এখানেই ক্ষান্ত হননি, তিনি কোরআন ও হাদিসে জিন নিয়ে বর্ণিত অনেক আয়াত ও হাদিস তার লেখা বইয়ে পেশ করেছেন।

জাপানের টোকিও পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক (Aoshioda Cousin ) আশুধা কজিন বলেছেনঃ “কোরআন যে আল্লাহর কালাম তা মেনে নেয়ার ব্যাপারে কোন সমস্যা বা অসুবিধা দেখতে পাইনি, কেননা কোরআনে বর্ণিত মানবের জিনের গুণাবলীর ভিত্তি সপ্তম শতাব্দীর বিজ্ঞানের গবেষণার উপরে মনে করা অসম্ভব। এ থেকে একমাত্র যে বিবেকসম্মত ফলাফল বেরিয়ে আসে তা হলোঃ এসব গুণাবলীর কথা আল্লাহর পক্ষ থেকে মুহাম্মদ সাঃ কে ওহীর মাধ্যমে জানানো হয়েছে।”

আরো জানতে চাও?!

রাজিবঃ কোরআনে কি অন্য বিষয়ে কিছু আলোচনা আছে?

রাশেদঃ কোরআনে অনেক বিষয়ে অনেক আলোচনা এসেছে, যেমনঃ ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে অনেক আয়াত এসেছে, যা আধুনিক বিজ্ঞান ছাড়া প্রমাণ করা যাবেনা। যেমনঃ মুছা আঃ ও ফেরাউনের ঘটনা, কোরআন ফেরাউনের ডুবে মরার কথা বলেছে এবং পরবর্তী মানুষের জন্য শিক্ষা ও উপদেশ স্বরূপ তাঁর লাশ হিফাযতের কথা বলেছে।অর্থাৎ আগত জাতি তার এ ঘটনা দেখে শিক্ষা লাভ করবে। আল্লাহ তায়া’লা বলেনঃ “অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে যাতে তোমার পশ্চাদবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পারে। আর নিঃসন্দেহে বহু লোক আমার মহাশক্তির প্রতি লক্ষ্য করে না”। (সুরা ইউনুসঃ ৯২)

এখানে তিনিটি ইশারা রয়েছেঃ

১. ফেরাউন ডুবে মরেছে ।

২. পানি থেকে তার লাশকে উত্তোলন করা ও সংরক্ষণ করা হয়েছে

৩. তার এ লাশকে হেফাযত করা হয়েছে মমি করে যাতে মানুষ তা দেখতে পারে।

এটা আধুনিক বিজ্ঞান এটাই প্রমাণ করেছে। কিন্ত তার লাশের মমি ১৮৯৮ সালের আগে আবিষ্কৃত হয়নি, অর্থাৎ রাসুলের সাঃ ইন্তেকালের প্রায় ১২০০ বছর পরে। ১৯৮১ সালের আগে এ সব মমির মৃত্যুর কারণ তখনো জানা যায়নি, যে এটা পানিতে ডুবে মারা গেছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি, পরীক্ষা নীরিক্ষার দ্বারা একদল বিজ্ঞানী তাদের মধ্যে অন্যতম ফ্রান্সের মরিচ বুকাইলী (Maurice Bucaille) এটাকে প্রমাণ করেছেন। তিনি একথা আগে জানতেন না যে কোরআনে এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়েছে , ফলে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। অতঃপর (আল কোরআন, তাওরাত, ইঞ্জিল ও বিজ্ঞান.. আধুনিক জ্ঞানের আলোকে পবিত্র ধর্মগন্থের মাঝে পর্যালোচনা) নামে বই লিখেন।

পবিত্র কোরআনে অনেক বিষ্ময়কর ঘটনা আছে যা ঘটার আগেই সংবাদ দেয়া হয়েছে, যেমনঃ সুরা রূমে আল্লাহ তায়া’লা বলেনঃ আলিফ-লাম-মীম, রোমকরা পরাজিত হয়েছে, নিকটবর্তী এলাকায় এবং তারা তাদের পরাজয়ের পর অতিসত্বর বিজয়ী হবে” (সুরা রূমঃ ১-৩)

এখানে দুটি বিষ্ময় রয়েছে, প্রথমতঃ কোরআন সংবাদ দিয়েছে যে, কয়েক বছর পর রোম সম্রাজ্য পারস্য সম্রাজ্যের উপর জয় লাভ করবে, অর্থাৎ এক হতে নয় বছরের মাঝে । কোরআন যা বলেছে তা বাস্তবায়িত হয়েছে সাত বছর পর। রোম ও পারস্যের মধ্যে ৬২৭ খৃষ্টাব্দে যুদ্ধ হয়, তাতে রোমানরা জয়লাভ করেন।

দ্বিতীয়তঃ এ আয়াতে কোরআনের আরেকটি বিষ্ময় দেখঃ কোরআন ভৌগলিক সীমারেখা ঠিক করেছে, যা সে সময় মানুষ জানতনা। আর সেটা হলো যুদ্ধটি হয়েছিল পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নভূমিতে। “আদনা” আরবী শব্দের দু’টো অর্থ হলোঃ অধিক নিকটবর্তী ও নিম্নবর্তী জায়গা। এটা আরব উপদ্বীপের নিকটবর্তী ছিল, অন্য দিকে এটা ভূপৃষ্ঠের সবচেয়ে নিম্নভূমি ছিল, যেহেতু ইহা সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে ১৩১২ ফুট নিচে ( প্রায় ৪০০ মিটার) ছিল। উপগ্রহের হিসেবে এটা সবচেয়ে নিম্নভূমি, যা এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা উল্লেখ করেছে। ঐতিহাসিক সত্যতা হলো সে যুদ্ধটি বিশ্বের সবচেয়ে নিম্নভূমি ডেড সাগরের অববাহিকায় হয়েছে, যা তখন আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে অনুমান করা সম্ভব ছিলনা।

মাইকেলঃ আমার মনে হয় যথেষ্ট হয়েছে রাশেদ।

রাজিবঃ কিন্তু আমার আরো জানতে ইচ্ছে করে, কোরআন কি অন্য আরো কোন বিষয়ে আলোচনা করেছে? যেমনঃ কক্ষপথ, ণৃবিজ্ঞান এবং সমুদ্রপথ...ইত্যাদি?

রাশেদঃ হ্যাঁ, কোরআনে এসব এবং আরো অন্যান্য বিষয়ে ইশারা রয়েছে, যেমনঃ মহাবিশ্ব সৃষ্টিতত্ব, মানব সৃষ্টি, চিকিত্সাবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা, পদার্থবিজ্ঞান এবং আলোকবিদ্যা ইত্যাদি। এছাড়াও ইশারা রয়েছে ঐতিহাসিক অলৌকিকতা এবং ডিজিটাল সংখ্যার.... আরো আছে এর অলঙ্কারশাস্ত্র ও শরিয়াতের অনিন্দন বিধিবিধান ইত্যাদি।

মাইকেলঃ আমাদের আলোচনার অনেক বিষয় আছে, কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা আমাদের বন্ধু রাজিবকে হারাব, কেননা কাল আমাদের ফিরে যাওয়ার সময়।

রাজিবঃ এটা আমাকে অনেক চিন্তিত করে তুলেছে, তোমাদের সাথে পরিচিত হয়ে আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি। তোমাদের আলোচনার দ্বারা অনেক উপকৃত হয়েছি। তবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা আমাদের আলোচনা চালিয়ে যেতে পারব।

রাশেদঃ সুন্দর প্রস্তাব, তোমাদের কাছে আরেকটি প্রস্তাবঃ আমাদের এ সুন্দর দিনগুলোকে স্মরণীয় রাখতে একটি বিদায়ী অনুষ্ঠান করলে কেমন হয়?

মাইকেল ও রাজিবঃ সুন্দর প্রস্তাব।