face
   

সত্যপথের আলো

সত্যপথের আলো

সত্যপথের আলো

একটি সামাজিক হলের টেবিলে রাশেদ, মাইকেল ও রাজিব তিন বন্ধু একত্রিত হল। প্রত্যেকে নিজেদের পছন্দের পানীয় অর্ডার দিল, রাজিব কথা শুরু করলঃ

আমরা গত সাক্ষাতে সত্য ইলাহ বা ঈশ্বরের গুণাবলী ও কিভাবে সঠিক ধর্ম চেনা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম।

মাইকেলঃ আমাকে সত্য ও বাস্তবতা কথা বলতে সুযোগ দাওঃ পদার্থবিজ্ঞান তার বিভিন্ন শাখা প্রশাখায় অনেক কিছু আবিষ্কার ও বাস্তবায়ন করেছে। গত দুই শতাব্দির তুলনায় চিকিৎসা বিজ্ঞান বর্তমানে লক্ষগুণ উন্নতি লাভ করেছে। যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশাল উন্নতি অর্জন করেছে, আমরা রসায়ন শাস্ত্রের মাধ্যমে পদার্থের মূল উপাদান জেনেছি, এমনিভাবে বিজ্ঞানের পাঠ্যক্রম দ্রুত উন্নয়নের ফলে আমরা অনেক নতুন নতুন গবেষনা ও আবিষ্কার দেখতে পারব। পদার্থ বিজ্ঞানের বিজ্ঞানীরা এখন কিন্তু কেউই একথা বলেনা যে, পৃথিবী গোলাকার নয়, অথচ হাজার হাজার বছর ধরে গবেষনা জগত কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করে আসছে সেগুলো হলোঃ আল্লাহর অস্তিত্ব, ধর্মের বাস্তবতা, মানব জীবনের জন্য উত্তম নীতিমালা, ন্যায়পরায়ণতার অর্থ কি? ইত্যাদির সঠিক ব্যাখ্যা ও ধারনা। আমরা যখন বলি যে, বিজ্ঞান উন্নতি হচ্ছে, তাহলে কেন এ কথা বলা যাবে না ধর্মও উন্নতি হচ্ছে?!

রাশেদঃ হাজার বছর ধরে মানুষের বিশ্বাস, অনুভূতি এবং ধারনাগুলোর পরস্পরের মাঝে সংঘর্ষ চলে আসছে ,আজকের দিনেও সেগুলোর মাঝে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংঘর্ষ চলছে। এর দ্বারা বুঝা যায় যে, মানুষের আকল বা জ্ঞান বুদ্ধিবৃত্তিক বিজ্ঞানে এতটা উন্নত হয়নি যতটা উন্নত হয়েছে পদার্থ বিজ্ঞানে। এটা একারনে যে, আমাদের মূল অস্তিত্ব কিন্তু পরিবর্তন হয়নি। এমনি ভাবে মানুষের বড় বড় বিষয়াবলী যা মানুষকে ভাবায় তার কোন পরিবর্তন হয়নি। মানুষ সব সময় তার পূর্ন অস্তিত্বের বিকাশের কথা ভাবে, এ অস্তিত্বের সাথেই সে নিজেকে মিশিয়ে নেয়। সে ব্যাখ্যা খোঁজে তার প্রকৃতির স্বভাব- ধরণের যা তাঁকে তার প্রকৃতির খুব কাছাকাছি করে দিবে, এসব ঘটনা ও বাস্তবতার সাথে তার প্রকৃতির সম্পর্ক কি? কেন আমাদেরকে সৃষ্ট জীব করা হয়েছে, তথা এমন সৃষ্টজীব আল্লাহর সাথে এবং অন্যদের সাথে যার সম্পর্ক নির্ধারিত? অথচ এ মানুষটি এক সময় ছিলনা। এ জন্য এধরনের বিষয়ে আমরা আমাদের পূর্ববর্তীদের থেকে জ্ঞান লাভ করতে পারি যেমনিভাবে বর্তমানের উলামায়ে কিরামগন থেকেও জ্ঞান লাভ করতে পারি। যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে সে গুলো মূলত উত্থিত বিষয়, আর সেগুলো মহাবিশ্ব, জীবন, মানুষ ইত্যাদি সম্পর্কিত। মানুষ যখন পদার্থ বিজ্ঞানের কিছু বাস্তবতার উপর একমত হয়েছে , কিন্তু ভাব-অনুভূতি, চিন্তা-গবেষনা বিষয়ক অধিকাংশ ক্ষেত্রে একমত হতে পারেনা। এটা মানুষের সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য যা কখনো শেষ হবেনা।

মাইকেলঃ তাহলে কি আমরা বলতে পারি যে, এ সব বাস্তবতায় আমরা কখনো পৌঁছতে পারবনা।

রাশেদঃ কে বলল একথা? তাহলে আলোচনার উদ্দেশ্য কি? আমি মনে করি আমরা আবেগ এবং গোঁড়ামি ত্যাগ করে সত্য জানতে এ বিষয়ে উন্নত মেধা বিতর্কের মাধ্যমে আলোচনা করলে সমাধানে পৌঁছতে পারব। যে ব্যক্তি একনিষ্ঠার সাথে সত্য পথ জানতে চায়, আল্লাহ পাক তাকে সে পথের সন্ধান দেন এবং পৌঁছিয়ে দেন। এর প্রমান হলোঃ এ সব ধারণা এবং অনুভূতি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক থাকা সত্যেও ইতিহাসে নবী রাসুল, সৎ বান্দা ও চিন্তাবিদের মাধ্যমে বরং কখনো কখনো রাষ্ট্রীয় ভাবে এসব ধারণার অনেক উন্নতি ও বাস্তবায়ন হয়েছে। কিন্তু মূল কথা হলো মানুষের হয়রানী, বিভ্রান্তি এবং স্ববিরোধিতা মানবিক চিন্তা গবেষনারই বৈশিষ্ট্য, আর এ সমস্যা আগেও ছিল বর্তমানেও আছে।

দু’টি পয়েন্টে আমাকে আলোচনা করতে সুযোগ দাও, সে দু’টো হলোঃ

প্রথমতঃ পদার্থ বিজ্ঞানের উন্নতি একথা অত্যাবশ্যকীয় করেনা যে, চিন্তা, অনুভূতি ও ধ্যান-ধারণার ও উন্নতি হতে হবে। যেহেতু এ দুয়ের মাঝে কোন সম্পর্ক নেই। এর প্রমান হলো আমেরিকা ও জাপানে পদার্থ বিজ্ঞানের ব্যাপক উন্নতি হওয়া সত্যেও তাদের মাঝে চিন্তা, অনুভূতি ও ধ্যান-ধারণা, ধর্ম ইত্যাদি নিয়ে অনৈক্য বিদ্যমান। তাই এর অর্থ দাঁড়ায়, কোন সমাজে পদার্থ বিজ্ঞানের উন্নতি চিন্তা-ভাবনা বিজ্ঞানের উন্নতিকে জরুরী করে না।

দ্বিতীয়তঃ মানুষের সমর্থন বা অসমর্থনের দ্বারা বাস্তবতা অর্জিত হয়না। কেননা অনেক সময় ভুলের উপর মানুষের ঐক্যমত হয়ে থাকে। বরং ইতিহাসের সাক্ষী হলো অনেক মানুষ ভুল চিন্তা ধারা, অনৈতিকতা এমনকি মারাত্বক অপরাধের উপর ঐক্যমত হয়েছে।

রাজিবঃ তোমার সাথে একমত। কিন্তু আমরা মূলেই ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, পরস্পর বিরীধী বিশ্বাস, ও আবেগ-অনুভূতি নিয়ে আছি। এজন্য আমাদেরকে প্রথমত কিছু মূলনীতি, প্রমাণাদির উপর ঐক্যমত হতে হবে যাতে আমরা এগুলো দিয়ে দলিল প্রমাণ দেয়া যায়।

মাইকেলঃ আমি মনে করি, এ ব্যাপারে বিবেক ও জ্ঞান- বিজ্ঞান এদুটোই হলো একমাত্র মাধ্যম,এব্যাপারে আমরা সকলেই একমত।

রাশেদঃ প্রাথমিকভাবে তোমাদের সাথে একমত। কিন্তু তোমরা কোন বিবেকের কথা বলছ? আমার বিবেক তোমার বিবেক নয়, এমনিভাবে কোন বিজ্ঞান? তোমরা কি শুধু পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানের কথা বলেছ?

মাইকেলঃ বিবেক দ্বারা আমি বাহ্যিক সর্বজনস্বীকৃত বিবেকের কথা বুঝেছি, বা বিবেকের প্রমাণাদি যাতে আমরা সকলে একমত। আর আমি মনে করি, আমরা কেউই বিজ্ঞানের দ্বারা প্রমাণিত বাস্তবতাকে অস্বীকার করিনা। এগুলো অবশ্যই বৈজ্ঞানিক অনুমান,থিওরি বা সেসব পরীক্ষা নয় যা বাস্তবতা পর্যন্ত পৌঁছেনি। তোমরা কি আমার সাথে একমত?

রাশেদঃ একমত। কিন্তু আরেকটি প্রমানের কথা উল্লেখ করব যা উক্ত দু’টো প্রমানের চেয়ে কোন অংশে কম নয়, তাহলো মানুষের সহজাত প্রবৃত্তির প্রমাণ। এখানে আমি বিবেক ও বিজ্ঞানের প্রমানের ব্যপারে একটি গুরুত্বপূর্ন কথা বলব, আর তা হলো, বিবেক যেটাকে অকাট্যভাবে ভূল বা অসম্ভব মনে করে তা এবং যেটাকে বুঝা কঠিন মনে করে এতদুভয়ের মাঝে পার্থক্য আছে।

রাজিবঃ সহজাত প্রবৃত্তির প্রমান দ্বারা তুমি কি বুঝাতে চাচ্ছ?

রাশেদঃ এর অর্থ হলোঃ মানুষের ভেতরের অনুভূতি বা ঝোঁক, যা সব মানুষের রয়েছে। পৃথিবীতে বিদ্যমান সব জিনিসের মাঝে স্বভাব ও বৈশিষ্ট্যাবলী রয়েছে, চাই সে জড়, উদ্ভিদ, জীব বা মানুষ হোক। যেমন বলা যায়, পানির বৈশিষ্ট্য হলো একশত ডিগ্রী গরমে ফুটবে, মানব বেঁচে থাকার জন্য শরীরের উষ্ণতার প্রয়োজন শতকরা ৩৪-৪২ ডিগ্রি। এসব বৈশিষ্ট্য সব বিদ্যমান প্রাণীর মাঝেই রয়েছে যা তাদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।

মাইকেলঃ তুমি কি মানুষ ও প্রাণীদের সহজাত প্রবৃত্তির কথা বলেছ?

রাশেদঃ মানুষ ও প্রাণীদের মাঝে সহজাত প্রবৃত্তি বলতে তাদের বৈশিষ্ট্যাবলীর কথা বুঝিয়েছি যা জীবন চলতে সব প্রাণীর ভিতরে থাকে। যেমনঃ হিংস্র প্রাণীর মধ্যে শিকার প্রবৃত্তি। কেউ কিন্তু এ শিকার প্রবৃত্তিকে হিংস্র প্রাণীর মাঝে রোপন করেনি।কিছু কিছু অতিথি পাখি ও মাছের নিজ আবাসের পথ খুঁজে পাওয়ার প্রবৃত্তি, মেয়েদের মাঝে মাতৃত্বের প্রবৃত্তি। প্রবৃত্তির অধিকারী্রাণীর মাঝে রোপন করেনি,আছে। মনে করে তা এবং যেটাকে বোঝ কঠিন ওয়ালা এসব অনুভব করতে পারে, কিন্তু সে প্রবৃত্তির জ্ঞানের রহস্যের প্রতি খেয়াল করেনা।

স্বভাব ও স্বভাবজাত বিষয়গুলো শুধু মানুষের মাঝে পাওয়া যায়, ইহা মানুষের মূল জিনিস, বহিরাগত অর্জন নয়। ইহা জানা ও অনুভব করা যায়। কিন্তু স্বভাব ও প্রবৃত্তির মাঝে পার্থক্য হলো এই যে, প্রবৃত্তি বস্তুগত জিনিস থেকে হয়, আর স্বভাব মানবিক বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত, যেমনঃ জানার আগ্রহ বা ভালবাসা, সত্য অনুসন্ধান, আবিষ্কারের উৎসাহ ও প্রচেষ্টা, কল্যাণ ও সম্মানের দিকে ধাবিত হওয়া, সৌন্দর্যের দিকে ঝোঁক ইত্যাদি। মানুষ এসব জিনিসের দিকে আকৃষ্ট , ইহা পেতে চায় ও সামাজিক শিক্ষা দীক্ষা, যে কোন পরিবেশ পরিস্থিতিতে প্রবিষ্ট না করেই এ সবের প্রতি আকর্ষিত হয়। অতএব, স্বভাবজাত জিনিসগুলো মানুষের অন্তরে রোপিত, নিজে নিজেই বেড়ে উঠে, এর উদাহরণ হল পশুদের প্রবৃত্তি, কিন্তু এগুলো মানুষের মাঝে নৈতিকতার সাথে নির্দিষ্ট, এ সব স্বভাব মানুষকে ভাল গ্রহণ ও খারাপ ত্যাগে উৎসাহিত করে। অতএব সুস্থ স্বভাবের এমন কোন মানুষ পাওয়া যাবেনা যিনি ভাল জিনিস থেকে ভেগে যায়, আর খারাপ জিনিসের দিকে ধাবিত হয়।

রাজিবঃ তাহলে আমরা কিভাবে এসব স্বভাবজাত বিষয়গুলো নির্দিষ্ট করব যে, এগুলো স্বভাবজাত আর এগুলো স্বভাবজাত নয়?

রাশেদঃ মানুষের স্বভাবজাত জিনিস কয়েকটি গুনে গুণান্বিত, এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলোঃ

ইহা সকলের মাঝে ব্যাপকহারে ও সাধারনভাবে পাওয়া যাবে।

সময়ের সাথে চলতে থাকবে, অতএব একসময় এগুলোর প্রয়োজন হবে আবার অন্য সময় প্রয়োজন হবেনা এমন হবে না।

ইহা মানুষের আভ্যন্তরীন স্বত্বা থেকে আসবে, শিক্ষা বা অর্জন থেকে অর্জিত হবেনা, যদিও শিক্ষা এগুলোকে শক্তিশালী ও বৃদ্ধি করে।

পারিপার্শ্বিক প্রভাবদ্বারা প্রভাবিত হবেনা, কিন্তু কখনো কখনো কোন পরিস্থিতিতে প্রভাবিত হতে পারে। স্বভাবজাত জিনিসগুলোর বিশুদ্ধতা পরিবর্তন ও প্রকৃতি বিনষ্ট হতে পারে, এর অবস্থা হল মানুষের অন্যান্য অনুভূতির মতই যেমনঃ শ্রবণ, দেখা, স্বাদ ইত্যাদি যখন রোগে আক্রান্ত হয়, তখন সাধারনত পুরোপুরিভাবে বিনষ্ট হয়না বরং দুর্বল হয়ে যায়, অথবা কার্যকারীতা কমে যায় তবে মূল বাকী থেকে যায়।

মাইকেলঃ আমার মনে হয় আমরা উত্থাপিত বিষয়ে একমত, তবে শেষ পয়েন্টের কিছু ব্যাপারে সন্দীহান, যে স্বভাব আমাদের আলোচ্য বিষয়ে দলিলের মাধ্যম হতে পারে।

রাজিবঃ তাহলে আমরা স্বভাবের উপর নির্ভরশীল বিষয়ে আলোচনা করতে পারি, যদি আমরা সকলে একমত হই তাহলে তো ভালই, আর একমত হতে না পারলে অন্য দলিল-প্রমাণ খুঁজব।

রাশেদঃ প্রসঙ্গক্রমে, এসব দলিল প্রমানের মাধ্যমের ব্যাপারে আমরা একমত হওয়ার পর আমি একটি বিষয় সতর্ক করতে চাই, তা হলো, ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ কিছু লোক মনে করেন যে, এ সব মাধ্যম ইসলাম ধর্মের সাথে মিলে না, এটা একটা ভুল ধারণা।

মাইকেলঃ আমরা যা জানি, দ্বীন হলো মহাপবিত্র কিছু আয়াতের উপর ঈমান আনা, এর সঠিকতা কোন সমালোচনা ও সন্দেহ ছাড়া মেনে নেয়া। এ কারনেই ইউরোপে বিজ্ঞানের আবিষ্কারের ফলে এ দু’য়ের মাঝে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় যুদ্ধসমূহ হয়েছে, যেহেতু গীর্যাগুলো এ সব আবিষ্কারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। তারা পবিত্র গ্রন্থ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শুধু বিবেক প্রসূত গবেষণার ঘোর বিরোধিতা করেছিল।

রাশেদঃ তোমার কথা কিছুটা সঠিক, কিন্তু ইসলামের ক্ষেত্রে ব্যপারটি এমন নয়। এ কথা সত্য যে, ইসলাম মহাপবিত্র আয়াতের উপর ঈমান আনতে বলে এবং ইহার সত্যতা মনে প্রাণে মেনে নিতে বলে। তবে বিবেক , চিন্তা গবেষণা এবং নিজের ও মহা বিশ্বের ব্যাপারে চিন্তা -গবেষণা করে যে জ্ঞান লাভ হয়, ইসলাম তাকে আল্লাহ, কিতাব ও রাসূলের প্রতি ঈমানের পথ হিসাবে সাব্যস্ত করেছে।

রাজিবঃ খুবই আশ্চর্যজনক ব্যাপার!! তোমাদের পবিত্র গ্রন্থ তাহলে বিবেক, চিন্তা-গবেষণা ও বিজ্ঞানের প্রতি সম্মান করে!

মাইকেলঃ হলের দায়িত্বশীলগন দেখছি আমাদের প্রতি ঈশারা করেছেন যে, তাদের হল বন্ধ করার সময় হয়ে গেছে। আমরা এখানেই শেষ করি, আগামীকাল বাকিটা পূর্ণ করব।

রাজিবঃ আমি কাল ব্যস্ত থাকব, আমি খুবই আনন্দিত হব যদি তোমরা আগামী পরশু আমার সাথে সেন নদীর তীরে ভ্রমনের দাওয়াত গ্রহণ কর।

মাইকেল ও রাশেদঃ চমৎকার! অবশ্যই আসব।

  - শান্তির সংলাপ
  - উপন্যাস সম্পর্কিত
  - বই সম্পর্কিত
  - ভিডিও সম্পর্কিত
আল্লাহর ইবাদত কর