face
   

এ ধর্মের ভবিষ্যৎ

এ ধর্মের ভবিষ্যৎ

এ ধর্মের ভবিষ্যৎ

রাজীব দুই বন্ধুর সাথে সাক্ষাতের নির্ধারিত সময় থেকে –অগত্যা- কিছু দেরি করল। কম্পিউটারের পর্দায় তার চেহারা ভেসে উঠার সাথে সাথে মাইকেল বলে উঠলোঃ

স্বাগতম রাজীব, আমরা তোমার মাঝে সচারাচর সময়ানুবর্তিতা দেখে আসছি। আশা করছি, এ দেরি তোমার কোন বিপদের কারণে নয়তো।

রাজীবঃ দুঃখিত, কোন সমস্যা হয়নি। তবে একটি অনুসন্ধানে ব্যস্ত ছিলাম, যা । তোমাদের সামনে তা উপস্থাপন করব বলে ইচ্ছা করেছিলাম।

মাইকেলঃ চমৎকার ! তাহলে আলোচনা হবে সারগর্ভ। তোমার অনুসন্ধান কি নিয়ে?

রাজিবঃ আসলে আমাদের আলোচনায় ইসলাম সম্পর্কে আলোচিত তথ্যাবলী আমাকে আকর্ষণ করেছে। তাই বিশ্বে এ ধর্মের বিস্তৃতি ও সংকোচনের গতিবিধি নিয়ে অনুসন্ধান করতে ইচ্ছা করেছি ।

মাইকেলঃ একই ব্যপার আমাকে ও উদ্বুদ্ধ করেছে অনুসন্ধান করতে। কিন্তু অন্যান্য দিক নিয়ে, তথা যে দিকগুলো আমাদের আলোচনায় আসে সেগুলো মূল তথ্য সম্ভার থেকে নিয়ে আরো গভীর ও বিসদ ভাবে অনুসন্ধান করতে। তবে আপনার অনুসন্ধানে কি পেলেন, জনাব রাশেদ? আপনি কি আমাদের সাথে আছেন?

রাশেদঃ হাঁ হাঁ আমি তোমাদের সাথে আছি।

রাজীবঃ আমি পেয়েছি, সব ধরনের তথ্য সূত্রই বিশ্বে ইসলাম বিস্তৃতি বৃদ্ধির দিকেই ইঙ্গিত করে। অনুসন্ধানে যানা যায়, বিশ্বে ৪২০০টি ধর্ম আছে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান প্রমান করে যে, বিশ্বে সব ধর্মের তুলনায় ইসলাম সবচেয়ে দ্রুত ছড়াচ্ছে। সব মহাদেশেই লক্ষণীয় দ্রুত ভাবে ইসলাম ছড়াচ্ছে। আমরা যদি মুসলিম বৃদ্ধির অনুপাতকে খৃষ্টান বৃদ্ধির সাথে তুলনা করি তাহলে দেখতে পাই যে, জাতিসংঘের পরিসংখ্যান মতে বিশ্বে মুসলিম বৃদ্ধির হার বছরে (৬.৪%) আর খৃষ্টান বৃদ্ধির হার (১%)।

আমার অনুসন্ধান ইউরোপের মাঝেই কেন্দ্রীভূত করেছি। অতঃপর দেখতে পেলাম, ইসলাম স্পেন, ফ্রান্স ও বৃটেনের দ্বিতীয় ধর্মে পরিনত হয়েছে।

জার্মানিতেও মুসলিমদের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। দৈনিক ‘দি ফিল্ট’ এর প্রতিবেদন মোতাবেক জার্মানে ইসলামের প্রসার বর্ধনশীল।

ফরাসী স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয় কতৃক একটি গবেষণা প্রমান করেছে যে, বছরে ৩৬০০ জনের বেশী লোক ইসলাম গ্রহণ করে। ফ্রান্সে ২৩০০টি মসজিদ ও ৭ মিলিয়ন মুসলিম আছে। বরং মনে করা হচ্ছে যে, ২০২৫ সালে মুসলিমরা ফ্রান্সের এক চতুর্থাংশ নাগরিকে পরিনত হবে। আরো ধারণা করা হচ্ছে, ২০৫০ সালে গোটা ইউরোপে ২০% নাগরিকে পরিণত হবে মুসলিমরা। অন্য একটি পরিসংখ্যান মতে ২০৪০ সালে ইউরোপে মুসলিমরাই সংখ্যাগরিষ্ট হয়ে যাবে।

বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলে যে, দশ বছর পর হল্যান্ডের এক তৃতীয়াংশ নাগরীক মুসলিম হয়ে যাবে। একটি গবেষণা প্রমান করেছে যে, আশ্চর্যজনকভাবে সুইডিস জাতীর মাঝে ইসলাম ছড়াচ্ছে। সরকারী পরিসংখ্যান ইঙ্গিত করে যে মুসলিমদের সংখ্যা নিয়মিত বর্ধনশীল। বর্তমানে সুইডেনে মুসলিমদের সংখ্যা এক লাখ বিশ হাজারেরও বেশী।

আর মসজিদ নির্মানের ব্যাপকতা মুসলিম বৃদ্ধির ইঙ্গিত বহন করে, বিশেষত মুসলিম ধর্মপরায়নদের বৃদ্ধি। বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলে, ইউরোপে ২৫ হাযারেরও বেশী মসজিদ আছে। সাথে সাথে এসব মসজিদে রয়েছে মুসলিমদের ব্যাপক সমাগম।

এর বিপরীতে বিভিন্ন গবেষণা প্রমান করে, গীর্জায় আগমনকারিদের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। ‘ড্রাইসডন ব্যাংক’ পরিচালিত একটি গবেষণা মনে করছে যে, আগামী কয়েক বছরে জার্মানে গীর্জার সংখ্যা কমে যাবে। শুধু “ব্রুশী ঈসন”নগরেই ৩৫০ গির্জার মধ্যে ৯৬ গির্জাতেই ধর্মীয় এবাদত বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং গির্জার ভবনগুলো অন্য কাজে লাগানোর সম্ভাবন রয়েছে। এর কারণ হল গির্জায় আগমনকারির সংখ্যা কমে যাওয়া ও গীর্জা থেকে রাজস্ব আয় কমে যাওয়া।

এতে যা বুঝা গেল তা হল, খৃষ্টানদের গির্জায় আগমন চরমভাবে হ্রাস পেয়েছে। ইউরোপের একটি গীর্জায় এমন দশা হয়েছে যে, তারা গির্জায় প্রত্যাগমন কমে যাওয়ায় সেথায় এবাদত করতে মানুষ জমা করার জন্য গাড়ী চালনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

মাইকেলঃ এতেই ইউরোপের কিছু কট্টরপন্থী ও ডানপন্থী দলের আক্রমনাত্বক আবস্থার কারণ বোঝা যায়, যারা ইসলামকে কোণঠাসা করে রাখে, ইসলামের মৌল বিষয়গুলো নিয়ে উপহাস করে এবং মুসলিম ও তাদের প্রতিকের উপর আক্রমণ করে। এমনকি তারা পুরো ইউরোপ থেকে মুসলিমদেরকে বেরিয়ে যেতে দাবী জানায়। কিন্তু ইসলামের এ বিস্তৃতির কারণ কি হতে পারে তোমার মতে? জনাব রাশেদ তুমি চুপ কেন? তুমি তো এমন না!

রাশেদঃ স্বভাবতই আমি তোমার কথা শুনে আনন্দিত। তাই চুপ করে আছি আরো শোনার জন্য। আমার মতে কিছু কারণ হল, ইসলামের স্বত্তাগত, আর কিছু হল, পাশ্চাত্য সমাজগত, আর কিছু বাস্তব অবস্থা কেন্দ্রিক। এসবের সমন্বয় ইসলাম প্রসারে প্রভাব ফেলেছে। তবে আমি বলতে চাই, ইসলামের জন্য তা আশ্চর্যের ব্যপার না; যা এমন এক একটি মজবুত আদি ধর্ম, সৃষ্টির শুরু থেকেই ইতিহাসের গভীরে বিস্তৃত হয়ে আছে যার শিকড়। আদম আঃ থেকে এ পর্যন্ত তার ঐতিহাসিক বিস্তৃতি বন্ধ হয়নি।

মাইকেলঃ জনাব রাশেদ, কিন্তু আমরা তো জানি, ইসলাম এসেছে মাত্র চৌদ্দশ বছর আগে। এর আগে সেখানে ছিল আনেক আসমানী ধর্ম যেমন, খ্রীষ্ট ও ইহুদী ধর্ম। তুমি কি তা অস্বীকার করবে?

রাশেদঃ এখানে একটি কথা আছে, এ ব্যপারে যা সঠিকভাবে বলা উচিৎ। তা হল, আল্লাহর দীন একটাই। একাধিক নয়। কারণ, তা একটি উৎস থেকেই এসেছে। তিনি হলেন আল্লাহ তায়ালা। তিনি সৃষ্ট জগত সৃষ্টি করেছেন। একই দীন বিভিন্ন অবস্থা ও জাতির কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন সময় তার উপযুক্ত বিধান প্রণয়ন করেছে। অনুরুপভাবে ওহী নাজিলের সময় থেকে কালের দুরত্বের কারণে কখনো আসল দীন থেকে পদস্খলন ঘটে। তখন নতুন কোন রাসুল পাঠিয়ে দীনকে নবায়নের প্রয়োজন দেখা দেয়, যিনি এ দীনের মৌলিক বিষয়গুলোকে সমর্থন করবেন। এদিকেই ইংগিত করে রাসুল সঃ এর এ হাদিস,” নবীগন বমাত্রিক ভাই এর মত, তাদের দীন এক তবে মা ভিন্ন ভিন্ন”। অর্থাৎ তাদের সময়কাল ও আনীত বিধি-বিধান ভিন্ন ভিন্ন। তবে মানবতা আমাদের নবীর যুগে পরিপক্কতায় পৌছায়। তাই এ রাসুলের রেসালাতে আছে এমন স্বত্তাগত উপকরণ সমূহ রয়েছে যা এই দীনকে রক্ষা করতে পারবে বিলোপ থেকে এবং প্রয়োজন হলে তাকে নবায়ন করে তার বিশুদ্ধতায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। তাই এই দীন কখনো বিলোপ হবেনা, মানবতার শেষ পর্যন্ত এর ঐতিহাসিক বিস্তৃতি চলমান থাকবে। কারণ এটি সর্বশেষ দীন, যা মানুষের সৃষ্টিকর্তা মনোনীত করেছেন তাদের জন্য। সুতরাং স্বভাবতই যা তাদের উপযুক্ত ও স্বভাবসম্মত তাই তিনি তাদের জন্য মনোনীত করবেন। তাই সব কিছু স্বাভাবিক ও স্বয়ংকৃয়ভাবে কাজ করলে স্বভাবতই এর বিস্তৃতি ঘটবে।

রাজীবঃ এটা আমার জন্য এক নতুন উদ্দীপক তথ্য। জনাব রাশেদ, তাহলে এবার আপনি ইসলাম বিস্তৃতির যে কারণ আপনি উল্লেখ করছিলেন আমরা সেখানে ফিরে যাই।

রাশেদঃ হাঁ, ইসলাম যে স্বত্তাগত কারণে দ্রুত ছড়াচ্ছে তা হলো,

কাঠামোগত দিক থেকে এ দীন খুবই সাধারণ, তবে মর্মগত দিক দিয়ে অনেক গভীর, সহজবোধ্য, পূর্ণাঙ্গ জীবন পদ্ধতি, বিধিবিধান সহজ, বুঝতে বড় বুদ্ধি ও ধীশক্তির দরকার হয়না। এতে নেই কোন তেলেসমাতি, গোপনীয়তা, অস্পষ্টতা ও দূর্বোধ্যতা।

এটি মানবিক ধর্ম, মানব স্বভাবকেই সম্বোধন করে, তার পরিস্থিতি বিবেচনা করে, তার চাহিদা পূরণ করে, সমস্যা সমাধান করে, তার সব জিজ্ঞাসার জবাব দেয়। এ ধর্মের সকল বিষয়াদি বাস্তব জীবনের সাথে খুবই সামঞ্জস্যশীল ও মানানসই। এমনিভাবে এ ধর্ম সব ধরণের সামাজিক অত্যাচারকে নিষেধ করে।মানুষের বর্ণ, ভাষা, জাতি ও সামাজিকভাবে শ্রেনীর ভিন্নতা সত্বেও তাদের মাঝে উৎসগত পূর্ন সাম্যতাকে জোরদার করে।

এটি একটি বাস্তব সম্মত ধর্ম যা মনুষ্যত্বের বাস্তবতাকে উপেক্ষা করেনা আবার তাতে নিজেকে মলিন, বিলীন ও অন্ধ করে দেয়না। এই বাস্তবতার দিক থেকেই এ ধর্ম দুনিয়া ও আখেরাতের মাঝে সমন্বয় ঘটিয়েছে, এ দুয়ের মাঝে কোন বিরোধ রাখেনি।

এটি এমন দ্বীন, যা মানব বুদ্ধিকে সম্মান করে, মানুষের চিন্তাকে মূল্যায়ন করে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া, সংলাপ ও উপকারী বিতর্কের পন্থা হিসাবে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমান ও যৌক্তিক পদ্ধতিকে শীর্ষে রেখেছে।

ইহা এমন দ্বীন যা বিজ্ঞান ও উন্নতির বিরোধিতা করেনা, বরং উৎসাহিত করে। আধুনিক বিজ্ঞানের সব প্রমাণিত তত্ত্ব চৌদ্দ শতাব্দী পূর্বে অবতীর্ন কোরআনের বর্ননার সাথে মিলে যাচ্ছে ।

ইহা এমন দ্বীন, যা বিবর্তনের সাথে খাপ খায়। স্থান - কালের বিবর্তনের মাধ্যমে জীবনে যেসব সামাজিক বিবর্তন ও নতুন নতুন পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে, ইসলাম এসবের সাথে খাপ খাওয়ার সামর্থ প্রমান করেছে।

ইহা এমন দ্বীন, যা আসল মানবিক স্বাধীনতা দেয়। মানুষ নিজেকে একমাত্র আল্লাহর বান্দা হিসেবে স্বীকৃতি না দিলে যে স্বাধীনতা পূর্নভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়না । কারণ এর মাধ্যমে মানুষ আর কোন মানুষ বা অন্য কিছুর বান্দা বা দাস থাকেনা ।

ইহা এমন ধর্ম, যা সর্বকালে অন্যান্য সংস্কৃতির প্রতি উম্মুক্ত।

মাইকেলঃ আমি তোমাকে পাশ্চাত্য সমাজে নিহীত কারণ গুলো বলবঃ

আমাদের পাশ্চাত্য সমাজ গত শতাব্দীর সুচনা ও এর আগ থকেই বিশেষ স্নায়ুবিক বিপর্যয়ে ভুগছে। এ বিপর্যয়ের সুচনা হয়েছে আমাদের পাশ্চাত্য সমাজে বিরাজমান নানা সংঘাত থেকে। বিশেষত গীর্জা ও বিজ্ঞান, পরস্পর বিরোধী অনেক দার্শনিক মত এবং সমাজের বিভিন্ন জাত ও শ্রেণীর মাঝে সংঘাত। এ থেকে দেখা দিয়েছে মূল্যবোধের দ্বন্ধ , হতবিহবলতা ও আত্মপরিচয়হীনতা।

অতঃপর আধ্যাত্মিক দৈন্যতা ও শুন্যতা ও অসারতা যা পশ্চিমাদেরকে কুরে কুরে খাচ্ছে, যার ফলে মানবাত্মার শ্বাস রুদ্ধ অবস্থা। যেখানে মানবিক মূল্যবোধ ক্ষয়িত হচ্ছে। মানবিক বৈশিষ্ট্যাবলী অবনমিত হচ্ছে। পক্ষান্তরে বস্তুর মর্যাদা ও মূল্যবোধ বাড়ছে, মানবিক সব মূল্যবোধকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে, মানুষ যেন যন্ত্র কিংবা যন্ত্রাংশ।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো, পশ্চিমাদের অনেকের মাঝে তাদের ধর্মের ব্যপারে সন্দেহ। তাদের আকিদার মাঝে নানা বিরোধ, দ্বন্দ্ব এবং ত্রুটি। যদিও তাদের অনেকে বাহ্যত ধর্মের প্রতি টান দেখায় এবং তাদের ধর্মের প্রতি অনুরাগের ভাব দেখায়। অন্যদিকে, গির্জা বৈরাগ্যের মাধ্যমে যে পবিত্রতার পথ ও পরিত্রানের যে চিত্র উপস্থাপন করে আমরা অনেকে দেখতে পাই যে তা জীবনের অনেক ক্ষেত্রে মানব স্বভাবের সাথে প্রতারনামূলক ও সাংঘর্ষিক।

আর পশ্চিমা সমাজ ব্যবস্থা যে ব্যাপক নৈতিক অবক্ষয়, পারিবারিক ব্যাবস্থার পচন ও সামাজিক অবক্ষয়ে এসে পৌঁছেছে তা তা আমরা অস্বীকার করতে পারিনা।

রাশেদঃ আমরা যদি বাস্তবিক কারণ নিয়ে আলোচনা করতে চাই তাহলে আমরা দেখতে পাই যে, ইসলামের উপর কলঙ্ক লেপন করা ও মুসলিমদের দমন করার অভিযান উল্টা প্রভাব ফেলে। এর ফলে এ ধর্মকে জানার আগ্রহ সৃষ্টি হয়।

একই ভাবে ইসলাম প্রচারে নিয়োজিত দায়ী ইলাল্লাহদের প্রচেষ্টা যেমন, মুসলিম আলেম ও অন্য ধর্মের পণ্ডিতদের মাঝে অনুষ্ঠিত সংলাপ পশ্চিমাদের সঠিক ইসলাম বুঝার সুযোগ বৃদ্ধি করে দেয়।

ইসলামী সংখ্যালঘুদের পাশ্চাত্যে থাকার প্রভাব ও আমরা অস্বীকার করতে পারবনা। যা পশ্চিমাদের জন্য কাছ থেকে মুসলিমদেরকে বুঝার সুযোগ করে দেয়। এতে করে বাস্তবে ইসলামের ধরন প্রকৃতি বুঝার এবং মুসলিমদের জীবন পদ্ধতি কাছ থেকে দেখার পথ তৈরী হয়ে আছে।

এসব কিছু আমার মাঝে একটি উজ্জল আশার স্বপ্ন জাগিয়ে তোলে। তা হলো, আগামী যুগের ভবিষ্যৎ এ ধর্মেরই।