face
   

রাসূলগণের ইতিহাসঃ ইবরাহীম আলাইহিস সালাম

রাসূলগণের ইতিহাসঃ ইবরাহীম  আলাইহিস সালাম

রাসূলগণের ইতিহাসঃ ইবরাহীম আলাইহিস সালাম

তাওহীদের রাসূল

ইবরাহীম (আঃ) তাওহীদের নবী, তাঁর পুরা জীবনীতে ইহাই স্পষ্ট হয়ে উঠে। এজন্যই আল্লাহ তায়া’লা তাঁর গুন বর্ণনা করে বলেনঃ নিশ্চয় ইব্রাহীম ছিলেন এক সম্প্রদায়ের প্রতীক, সবকিছু থেকে মুখ ফিরিয়ে এক আল্লাহরই অনুগত এবং তিনি শেরককারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। (নাহলঃ ১২০)

তিনি মুশরিক সম্প্রদায়ের মধ্যে লালিত পালিত হন, এমনকি তাঁর পিতা ছিলেন একজন মূর্তিপূজঁক, নির্মাতা ও রক্ষণাবেক্ষণকারী। ইবরাহীম (আঃ) তাঁর পিতা ও জাতির সাথে সংলাপ করেনঃ স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম পিতা আযরকে বললেনঃ তুমি কি প্রতিমা সমূহকে উপাস্য মনে কর? আমি দেখতে পাচ্ছি যে, তুমি ও তোমার সম্প্রদায় প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট। (আন’আমঃ ৭৪)

তিনি তাঁর জাতির শিরকীর সব ধরণের দলিল প্রমাণ অস্বীকার করেন ও খন্ডণ করেন, তিনি আল্লাহর নিদর্শনের দিকে তাকিয়ে বলতেনঃ অনন্তর যখন রজনীর অন্ধকার তার উপর সমাচ্ছন্ন হল, তখন সে একটি তারকা দেখতে পেল, বললঃ ইহা আমার প্রতিপালক। অতঃপর যখন তা অস্তমিত হল। (আন’আমঃ ৭৬)

অর্থাৎ ডুবে যাওয়া তখন বললঃ আমি অস্তগামীদেরকে ভালবাসি না। অতঃপর যখন চন্দ্রকে ঝলমল করতে দেখল। (আন’আমঃ ৭৬-৭৭)

সুর্য যখন দিগন্তে উদিত হত তখন কতিপয় লোক তার ইবাদত করত। বললঃ এটি আমার প্রতিপালক। (আন’আমঃ ৭৭)

তিনি তাদের এ কাজ অস্বীকার করেন, ইহার পূজা করায় তিনি আশ্চর্য হতেন, দিশেহারা হয়ে তিনি সুযোগ খুঁজতে থাকতেন, অনন্তর যখন তা অদৃশ্য হয়ে গেল। (আন’আমঃ ৭৭)

যখন দিগন্তে অস্ত যেত, তখন তিনি জাতির কাছে গিয়ে বললেনঃ তখন বলল যদি আমার প্রতিপালক আমাকে পথ-প্রদর্শন না করেন, তবে অবশ্যই আমি বিভ্রান্ত সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব। অতঃপর যখন সূর্যকে চকচক করতে দেখল। (আন’আমঃ ৭৭-৭৮)

তিনি দেখলেন, সম্প্রদায়ের লোকেরা সুর্যের সামনে সিজদায় নত হয়ে থাকতঃ বললঃ এটি আমার পালনকর্তা, এটি বৃহত্তর। (আন’আমঃ ৭৮)

তিনি তাদের এ কাজ অস্বীকার করেন, ইহার পূজা করায় তিনি আশ্চর্য হয়ে বলতেন, কিভাবে মানুষ সুর্যকে ইলাহ মানে?!! অতপর যখন তা ডুবে গেল, (আন’আমঃ ৭৮)

যখন চোখের সামনে থেকে অস্ত হয়ে যেত, তখন সে সব মূর্তিপুজকদের কাছে গিয়ে বললেনঃ তখন বলল হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা যেসব বিষয়কে শরীক কর, আমি ওসব থেকে মুক্ত। আমি এক মুখী হয়ে স্বীয় আনন ঐ সত্তার দিকে করেছি, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল সৃষ্টি করেছেন এবং আমি মুশরেক নই। (আন’আমঃ ৭৮-৭৯)

পিতার সাথে ইবরাহীম (আঃ) এর ঘটনা

তিনি নম্র, ভদ্র, উদার ও যুক্তির সাথে তার পিতাকে অনেক বুঝালেন, শিরক থেকে বিরত থাকতে বললেন, হে আমার পিতা, আমার কাছে এমন জ্ঞান এসেছে; যা তোমার কাছে আসেনি, সুতরাং আমার অনুসরণ কর, আমি তোমাকে সরল পথ দেখাব। হে আমার পিতা, শয়তানের এবাদত করো না। নিশ্চয় শয়তান দয়াময়ের অবাধ্য। হে আমার পিতা,আমি আশঙ্কা করি,দয়াময়ের একটি আযাব তোমাকে স্পর্শ করবে। (মারিয়ামঃ ৪২-৪৫)

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তার পিতার জবাব ছিল খুবই রূঢ়ঃ পিতা বললঃ যে ইব্রাহীম, তুমি কি আমার উপাস্যদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ? যদি তুমি বিরত না হও, আমি অবশ্যই প্রস্তরাঘাতে তোমার প্রাণনাশ করব। তুমি চিরতরে আমার কাছ থেকে দূর হয়ে যাও। (মারইয়ামঃ ৪৬)

পিতার সাথে ইবরাহীম (আঃ) এর জবাব ছিল খুবই আদব, দয়া ও নম্রভাবে। ইব্রাহীম বললেনঃ তোমার উপর শান্তি হোক, আমি আমার পালনকর্তার কাছে তোমার জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করব। নিশ্চয় তিনি আমার প্রতি মেহেরবান। আমি পরিত্যাগ করছি তোমাদেরকে এবং তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদের এবাদত কর তাদেরকে; আমি আমার পালনকর্তার এবাদত করব। আশা করি, আমার পালনকর্তার এবাদত করে আমি বঞ্চিত হব না। (মারইয়ামঃ ৪৭-৪৮)

ইবরাহীম (আঃ) তার পিতা ও জাতিকে তাওহীদের দাওয়াত দিতে থাকলেন, শিরক থেকে বিরত থাকতে বললেন, কিন্তু জাতির লোকেরা ইবরাহীম (আঃ) এর দাওয়াতে জবাব দেননি, তারা শিরকেই পড়ে রইল। তাঁর সাথে তার সম্প্রদায় বিতর্ক করল। সে বললঃ তোমরা কি আমার সাথে আল্লাহর একত্ববাদ সম্পর্কে বিতর্ক করছ; অথচ তিনি আমাকে পথ প্রদর্শন করেছেন। তোমরা যাদেরকে শরীক কর, আমি তাদেরকে ভয় করি না তবে আমার পালকর্তাই যদি কোন কষ্ট দিতে চান। আমার পালনকর্তাই প্রত্যেক বস্তুকে স্বীয় জ্ঞান দ্বারা বেষ্টন করে আছেন। তোমরা কি চিন্তা কর না? যাদেরকে তোমরা আল্লাহর সাথে শরীক করে রেখেছ, তাদেরকে কিরূপে ভয় কর,অথচ তোমরা ভয় কর না যে, তোমরা আল্লাহর সাথে এমন বস্তুকে শরীক করছ। (আন’আমঃ ৮০-৮১)

একবার তিনি তাদেরকে বললেনঃ যখন তাঁর পিতাকে এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, তোমরা কিসের এবাদত কর? (শুয়ারাঃ ৭০)

তারা জবাব দিলঃ তারা বলল, আমরা প্রতিমার পূজা করি এবং সারাদিন এদেরকেই নিষ্ঠার সাথে আঁকড়ে থাকি। (শুয়ারাঃ ৭১)

ইব্রাহীম (আঃ) বললেন, তোমরা যখন আহবান কর, তখন তারা শোনে কি? অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে? (শুয়ারাঃ ৭২-৭৩)

তারা জ্ঞানহীন, যুক্তিহীন ও শুধু অন্ধ অনুসরণের ব্যাপারে বোকামী জবাব দিল। তারা বললঃ না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছি, তারা এরূপই করত। (শুয়ারাঃ ৭৪)

তিনি তাদেরকে দলিল প্রমাণ, যুক্তিসহকারে একচ্ছত্র তাওহীদের জবাব দিলেন, ইব্রাহীম বললেন, তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, যাদের পূজা করে আসছ। তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা? বিশ্বপালনকর্তা ব্যতীত তারা সবাই আমার শত্রু। যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন, যিনি আমাকে আহার এবং পানীয় দান করেন, যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন। যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর পুনর্জীবন দান করবেন। আমি আশা করি তিনিই বিচারের দিনে আমার ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করবেন। হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর। এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর। এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর। এবং আমার পিতাকে ক্ষমা কর। সে তো পথভ্রষ্টদের অন্যতম। (শুয়ারাঃ ৭৫-৮৬)

মুর্তি ভাঙচুর

ঈদের দিনে ঈদের রীতিনীতি পালন করতে সম্প্রদায়ের লোকজন, তাদের রাজা ও শহরের সবাই ময়দানে উপস্থিত হল, কিন্তু ইবরাহীম (আঃ) তাদের সাথে বের হননি, যখন তারা চলে গেলঃ অতঃপর তারা তার প্রতি পিঠ ফিরিয়ে চলে গেল। অতঃপর সে তাদের দেবালয়ে, গিয়ে ঢুকল এবং বললঃ তোমরা খাচ্ছ না কেন? তোমাদের কি হল যে, কথা বলছ না? অতঃপর সে প্রবল আঘাতে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। (ছফফাতঃ ৯০-৯৩)

তারা ফিরে এসে দেখল, তাদের মূর্তিগুলো ভঙ্গুর, কিভাবে এগুলো ইলাহ হবেন যে নিজে নিজেকেই হেফাযত করতে পারেনা! তারা দ্রুত এসে বললঃ তারা বললঃ আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার কে করল? সে তো নিশ্চয়ই কোন জালিম। কতক লোকে বললঃ আমরা এক যুবককে তাদের সম্পর্কে বিরূপ আলোচনা করতে শুনেছি; তাকে ইব্রাহীম বলা হয়। তারা বললঃ তাকে জনসমক্ষে উপস্থিত কর, যাতে তারা দেখে। তারা বললঃ হে ইব্রাহীম তুমিই কি আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার করেছ? (আম্বিয়াঃ ৫৯-৬২)

তিনি তাদেরকে অকাট্য দলিলের মাধ্যমে জবাব দিলেনঃ তিনি বললেনঃ না এদের এই প্রধানই তো একাজ করেছে। অতএব তাদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তারা কথা বলতে পারে। (আম্বিয়াঃ ৬৩)

তারা তার দলিলের সামনে নিজেদেরকে নগণ্য মনে করল, অতঃপর মনে মনে চিন্তা করল এবং বললঃ লোক সকল; তোমরাই বে ইনসাফ। অতঃপর তারা ঝুঁকে গেল মস্তক নত করে, তুমি তো জান যে, এরা কথা বলেনা। (আম্বিয়াঃ ৬৪-৬৫)

তিনি আরো শক্তিশালী অকাট্য দলিল পেশ করলেনঃ তিনি বললেনঃ তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর এবাদত কর, যা তোমাদের কোন উপকার ও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না? ধিক তোমাদের জন্যে এবং তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদেরই এবাদত কর, ওদের জন্যে। তোমরা কি বোঝ না? (আম্বিয়াঃ ৬৬-৬৭)

তারা বিবেক, দলিল, যুক্তি প্রমাণ সব কিছুতে রেহে গিয়ে তার থেকে প্রতিশোধ নিতে চাইল। তারা বললঃ একে পুড়িয়ে দাও এবং তোমাদের উপাস্যদের সাহায্য কর, যদি তোমরা কিছু করতে চাও। (আম্বিয়াঃ ৬৮)

আল্লাহ তায়া’লা তাঁকে রক্ষা করলেন। আমি বললামঃ হে অগ্নি, তুমি ইব্রাহীমের উপর শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও। তারা ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ফন্দি আঁটতে চাইল, অতঃপর আমি তাদেরকেই সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ করে দিলাম। (আম্বিয়াঃ ৭০)

আল্লাহ তায়া’লা তাঁকে রক্ষা করার পরে তিনি আলোচনা করতে তাদের সম্রাটের নিকট গেলেনঃ তুমি কি সে লোককে দেখনি, যে পালনকর্তার ব্যাপারে বাদানুবাদ করেছিল ইব্রাহীমের সাথে এ কারণে যে, আল্লাহ সে ব্যাক্তিকে রাজ্য দান করেছিলেন? ইব্রাহীম যখন বললেন, আমার পালনকর্তা হলেন তিনি, যিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু ঘটান। (বাকারাঃ ২৫৮)

তার অকাট্য দলিল প্রমাণের সামনে মূর্খ বোকা রাজা জবাব দিলঃ সে বলল, আমি জীবন দান করি এবং মৃত্যু ঘটিয়ে থাকি। (বাকারাঃ ২৫৮)

একজনকে হত্যা করা ও অন্য একজনকে ছেড়ে দেয়ার মাধ্যমে যুক্তিহীন জীবন মৃত্যু দানের ব্যাপারে ইবরাহীম (আঃ) যুক্তি তর্ক করতে আসেননি, তাই তিনি বললেনঃ ইব্রাহীম বললেন, নিশ্চয়ই তিনি সুর্যকে উদিত করেন পূর্ব দিক থেকে এবার তুমি তাকে পশ্চিম দিক থেকে উদিত কর। তখন সে কাফের হতভম্ব হয়ে গেল। আর আল্লাহ সীমালংঘণকারী সম্প্রদায়কে সরল পথ প্রদর্শন করেন না। (বাকারাঃ ২৫৮)

এবার তার দলিল প্রমাণের সামনে তারা হেরে গেল। এরপরে ইবরাহীম (আঃ) স্বচোক্ষে আল্লাহর কুদরত মৃত্যুকে জীবিত করে দেখতে চাইলেনঃ আর স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম বলল, হে আমার পালনকর্তা আমাকে দেখাও, কেমন করে তুমি মৃতকে জীবিত করবে। বললেন; তুমি কি বিশ্বাস কর না? বলল, অবশ্যই বিশ্বাস করি, কিন্তু দেখতে এজন্যে চাইছি যাতে অন্তরে প্রশান্তি লাভ করতে পারি। বললেন, তাহলে চারটি পাখী ধরে নাও। পরে সেগুলোকে নিজের পোষ মানিয়ে নাও, অতঃপর সেগুলোর দেহের একেকটি অংশ বিভিন্ন পাহাড়ের উপর রেখে দাও। তারপর সেগুলোকে ডাক; তোমার নিকট দৌড়ে চলে আসবে। আর জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী, অতি জ্ঞান সম্পন্ন। (বাকারাঃ ২৬০)

আল্লাহ তায়া’লা ইবরাহীম (আঃ) ও তদীয় পুত্র ইসমাইল (আঃ) কে মক্কার কা’বা গৃহকে শিরক ও পৌত্তলিকতা থেকে পবিত্র করতে নির্দেশ দেনঃ এবং আমি ইব্রাহীম ও ইসমাঈলকে আদেশ করলাম, তোমরা আমার গৃহকে তওয়াফকারী, অবস্থানকারী ও রুকু-সেজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখ। যখন ইব্রাহীম বললেন, পরওয়ারদেগার! এ স্থানকে তুমি শান্তিধান কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা অল্লাহ ও কিয়ামতে বিশ্বাস করে, তাদেরকে ফলের দ্বারা রিযিক দান কর। বললেনঃ যারা অবিশ্বাস করে, আমি তাদেরও কিছুদিন ফায়দা ভোগ করার সুযোগ দেব, অতঃপর তাদেরকে বলপ্রয়োগে দোযখের আযাবে ঠেলে দেবো; সেটা নিকৃষ্ট বাসস্থান। স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিলঃ পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ। পরওয়ারদেগার! আমাদের উভয়কে তোমার আজ্ঞাবহ কর এবং আমাদের বংশধর থেকেও একটি অনুগত দল সৃষ্টি কর, আমাদের হজ্বের রীতিনীতি বলে দাও এবং আমাদের ক্ষমা কর। নিশ্চয় তুমি তওবা কবুলকারী। দয়ালু। (বাকারাঃ ১২৫-১২৮)